কুলাউড়ায় কোয়ারেন্টিন নিশ্চতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন

সিলেটের আলোসিলেটের আলো
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  April 1, 2021

করোনা সংক্রমণ রোধে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা সিভিল সার্জনের নির্দেশনা অনুযায়ী কুলাউড়ায় আক্রান্তদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা এবং পুলিশ প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সকাল দশটা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের করোনা আক্রান্ত ১১ জনের বাসা-বাড়িতে গিয়ে কোয়ারেন্টাইন নিশ্চত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত করোনা টেস্টের জন্য ৫২ জন নমুনা দেন। এর মধ্যে ১১ জনের পজিটিভ আসে। গত ৩১মার্চের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলাজুড়ে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির হার সর্বোচ্চ হওয়ায় জেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন সংক্রমণরোধে আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, জরুরী প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে বন্ধ, সকল ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠান ওগণজমায়েত বন্ধ, গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী বহন, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ প্রদান করেন।

এই নির্দেশনানুযায়ী কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাকির হোসেন, সমন্বয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের এবং প্রশাসনের একটি টিম বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার পৌর এলাকাসহ জয়চণ্ডী, ব্রাহ্মণবাজার ও কাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আক্রান্তদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন মেনে ঘরে থাকা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জসীম উদ্দিন ও কুলাউড়া থানার ওসি তদন্ত মো. আমিনুল ইসলামসহ থানা পুলিশের একটি দল।

ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, জেলা প্রশাসক মীর আহসান নাহিদ স্যারের নির্দেশনায় এ পর্যন্ত উপজেলায় আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনানুযায়ী মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সকল নির্দেশনা মেনে চলার জন্য উপজেলার প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। এখন থেকে মাঠে প্রশাসনের নজরদারী থাকবে। যদি কেউ এই নির্দশনা অমান্য করেন তাহলে সংক্রমণ আইনের ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার সকল মসজিদের ইমামদের সাথে আমরা বসবো। তারা যাতে শুক্রবার জুম্মার নামাজে উপস্থিত মুসল্লিদের করোনা সংক্রমণরোধে সরকারে নির্দেশনাগুলো পালন করার জন্য সচেতন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :