ফেসবুকে মুহাম্মাদ (সা.) কে নিয়ে যুবকের অশোভন মন্তব্যে…

Raja SaimonRaja Saimon
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:52 PM, 13 September 2020

নিজস্ব প্রতিনিধি :: বালাগঞ্জের দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের গহরপুরের শিওরখাল গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরীর ছেলে নিয়ামুল হক চৌধুরী নামের এক যুবকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাসূল (সা.) কে অপমান করে করা মন্তব্য ও ইসলামের ঐতিহাসিক সত্য কিছু বিষয়াবলির মনগড়া অপব্যখ্যায় উপজেলার মানুষ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়েছেন। যার ফলে উপজেলার মানুষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার মানুষজন সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন বাজে অশোভন মন্তব্যের ব্যপক প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছেন। এমনকি এ নিয়ে এলাকায় যে কোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে এমন ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ও ফেসবুকে ওই যুবকের আইডি ঘাটাঘাটি করে জানা গেছে, অভিযুক্ত নিয়ামুল স্থানীয় এক স্কুল ও মাদ্রাসায় পড়াশোনাকালীন সময় থেকেই তার মনের মধ্যে ইসলাম ধর্মের প্রতি বিরুপ মনোভাব তৈরী হয়। সে দীর্ঘদিন থেকে কৌশলে বিভিন্ন সময় ফেসবুকে তার ফেসবুক “Niaamul H Chowdhury (নিয়ামুল এইচ চৌধুরী)” আইডি থেকে পবিত্র ইসলাম ও নবী মুহাম্মাদ, মা আয়েশা, সাহাবিদের, নিয়ে বাজে মন্তব্য করে আসছে।

এছাড়াও সে নিজে কয়েকজনের পোস্টের কমেন্টে লিখেছে পড়াশোনা কালীন সময়ে সে নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাতুল জিহাদের জিহাদি ছিল, এবং বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যও ছিল।

সম্প্রতি md muniruzzamn suzon নামের এক আইডির পোস্টের কমেন্টে “আল্লাহ আছেন মানি কিন্তু দাসব্যবসায়ী মুহাম্মাদ একটা ভন্ড ছিল, ইজ দ্যাট অকে?” একটা কমেন্ট করেছে। এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় বইছে।

তার আপন বড় ভাই, ফাতহুল হাসানাত চৌধুরী শিমুল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এর সাথে আমাদের পরিবারের দীর্ঘদিন থেকে কোন যোগাযোগ নেই, ধর্ম বিদ্বেষমূলক আচরণকারীর সাথে আমাদের যোগাযোগ থাকতে পারেনা, আপনারা যা করবেন আপনাদের সাথে আছি।

এব্যাপারে সুলতানপুর মহিলা মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মাও. নোমানুল হক চৌধুরী বলেন, নিয়ামুলের রাসুল সা. কে অপমান করে করা কমেন্টের সমর্থনে ঐতিহাসিক সত্য বিষয়াবলির উপর নিজস্ব কিছু ব্যাখ্যা দাড় করানোর চেষ্টা করতেছে। যা সুস্পষ্ট ভ্রষ্টতা। আমি অনতিবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় সে দেশের যেখানেই থাকুক প্রশাসনকে তার বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এব্যাপারে বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী আতাউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে তার বাড়িতে গিয়েছি, সে প্রায় ১০/১২ বছর থেকে বাড়িতে থাকেনা ঢাকায় থাকে।

আপনার মতামত লিখুন :